মামুন খান ॥
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে চাঁদপুর জেলার বই ব্যবসায়ীরা দুঃসময় পার করছে। বই ব্যবসা মূলত: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে বেচা কেনা হয়, বন্ধ থাকলে বেচাকেনা বন্ধ।
চাঁদপুর জেলায় প্রায় ৪ শতাধিক ছোট বড় বইয়ের দোকান আছে। অথচ ওই সব বই ব্যবসায়ীরা দোকান ভাড়া,কর্মচারিদের বেতন,বিদ্যুৎ বিল,পৌর টেক্স,ব্যাংকের সুদ দিতে হয় নিয়মিত। এতদিনে ব্যবসার মূল পুঁজি দিয়ে পরিবার ও দোকানের খরচ চালিয়ছেন তারা। অনেকই পুঁজি শেষ করে দোকান বন্ধ করে দিয়ে বেকারত্ব জীবন যাপন করছেন।
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশকও বিক্রেতা সমিতির চাঁদপুর শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ন্যাশনাল লাইব্রেরীর স্বত্বাধিকারী এসএম মোরশেদ সেলিম জানান, প্রায় ১৬ মাস ধরে বইয়ের দোকানে বেচা কেনা নেই। বড় কষ্টে আছেন চাঁদপুর জেলার বই ব্যবসায়ীরা। আরও কিছু দিন যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং এভাবে লকডাউন চলতে থাকে তাহলে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে মানবতার জীবনযাপন করতে হবে।
স্থানীয় কয়েকজন বই ব্যবসায়ীরা আরো জানান, সরকার সব পেশার লোকদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করলেও আমাদের জন্য প্রণোদনার কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। তাই এ পেশা বাঁচাতে প্রণোদনা দেয়ার জোর দাবী জানান তারা।
![]()