গাজী মাজহারুল ইসলাম:
হাইমচর উপজেলার বাজাপ্তি রমনি মহন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম এ মান্নান শিকদারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিদ্যালয়ের জমিদাতা সহ স্থানীয় লোকজন প্রধান শিক্ষকের দীর্ঘদিনের চলমান অনিয়ম এর তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারক লিপি প্রদান করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার দুপুর ১ টায় হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে সালমা নাজনীন তৃষা এর নিকট এ স্মারক লিপি প্রদান করেন এলাকাবাসীর পক্ষে বিদ্যালয়ের জমিদাতা হাসান ইমাম মাসুদ আলম।
স্মারকলিপিতে বাজাপ্তী রমণী মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়োগ বাণিজ্য, প্রতিষ্ঠানের আয় থেকে অতিরিক্ত বেতন গ্রহণ, গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠন, দায়িত্ব পালনে স্বেচ্ছাচারিতা, প্রতিষ্ঠানের আয় ব্যয়ের অনিয়ম, অন্যান্য শিক্ষকদেরকে অহেতুক কারণে শোকজসহ বিভিন্ন অনিয়ম উল্লেখ্য করে তদন্তের দাবি করেন এলাকাবাসী।
এসময় মোঃ হাছান ইমাম মাসুদ বাজাপ্তী রমনী মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানের দুর্নীতি অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি করেন।
প্রধান শিক্ষক এম এ মান্নান বলেন, আমি ২০১০ সালে বাজাপ্তি রমনি মহন উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হই। ২০১৩ সালে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে মাসুদ গাজি ভোটে হারার পর থেকে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে।
২০১৪ সালে এই মাসুদ মান্নান গাজি নামক লোক দিয়ে অভিযোগ দেয়। যা ঐ সময় তদন্ত করে মিথ্যে প্রমানিত হয়। আমার বিরুদ্ধে নতুন করে যে অভিযোগ হয়েছে তাও সঠিক ভাবে তদন্ত হলে তা মিথ্যে প্রমাণিত হবে। আমি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি আমার চাকুরি জীবনে স্কুল থেকে এক টাকাও আমি হাত দিয়ে ধরি না। টাকা আত্মসাৎ তো দুরের কথা।
হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে সালমা নাজনীন তৃষা বলেন, আমি স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। এবং পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী পাঁচ কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
![]()