জনগণ সচেতন না হলে পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে: জেলা প্রশাসক

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥

প্রশাসক কামরুল হাসান বলেছেন,পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হলো পলিথিনের ব্যবহার। প্লাস্টিকের ব্যবহার নিষিদ্ধ না হলে এবং জনগণকে সচেতন করা না হলে পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। পলিথিন ৫ বছর মাটির নিচে থাকলেও তা ধ্বংস হয়ে যায় না । বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর সারা বিশে^ ৮০ লাখ টন পলিথিন সমুদ্রে গিয়ে পড়ে এবং বাংলাদেশে ৩ হাজার টন পলিথিন প্রতিবছর ব্যবহার হচ্ছে। প্লাস্টিকের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধ করার জন্য আমাদের নিজেদের সচেতন হতে হবে বলে মনে করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, শুধু পলিথিন নয় আমরা বিভিন্নভাবে পরিবেশ দূষণ করে থাকি। যার মধ্যে অন্যতম হলো শব্দ দূষণ। শব্দ দূষণ হলো একটা নিরব ঘাতক। তিনি পলিথিনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলারও আহ্বান জানান।

“প্লাস্টিক দুষণের সমাধানে শামিল হই সকলে” প্রতিপাদ্যে “সবাই মিলে করি পন, বন্ধ হবে প্লাস্টি দূষণ” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁদপুরের আয়োজনে সকালে র‌্যালি শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বশির আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ।

দৈনিক সুদীপ্ত চাঁদপুরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এম আর ইসলাম বাবুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুদ হোসেন, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাফায়েত আহম্মদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন হাফেজ ইব্রাহীম খলিল, পবিত্র গীতা পাঠ করেন চন্দনা রাণী শীল।

এছাড়াও র‌্যালি ও আলোচনা সভায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ,ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীবৃন্দ, সনাক-চাঁদপুরের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভা শেষে পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

 

Loading

শেয়ার করুন: