নিজস্ব প্রতিনিধি ॥
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেছেন, যারা পরিবেশ আইন মানেন না তদের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমান করা হচ্ছে। যারা বৈধ আছেন তারা ইটভাটা চালু করবেন, অবৈধরা কোন ভাবেই ভাটা চালু করতে পারবেন। পরিবেশ অধিদপ্তরে ছাড়পত্র নিয়ে আমার কাছে আসলে আমি এক সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্স দিয়ে দিব।
চাঁদপুর জেলার ইটভাটা মালিকদের সাথে সোমবার (১২ আগষ্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আমি আইনের মধ্যে থেকে কাজ করছি। আমার উপর চাপ আসলে আমি তখন কঠোর হই, আমারও কিন্তু ভাটা ভাংগতে কষ্ট হয়। বিশেষ করে আপনাদের ভাটায় কাজ করা শ্রমিকতের জন্য কষ্ট হয় কারন ভাটা ভাঙার পর তারা কর্মহীন হয়ে পরবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, হাইকোর্টের রায়ের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই, এখানে আমার এখতিয়ার আছে। গত বছরের তুলনায় আরো শক্তি নিয়ে কাজে নামবো। আমরা এবার পানি দিয়ে নিভিয়ে দিব না, আমরা এবছর একেবারে সেশিন েিদ্রয ভাটা ভেঙ্গে দিব।ইট দরকার আছে তার মানে আপনার অবৈধভাবে ইটভাটা চালাবেন তা;হবে না। প্রশাসন আপনাদের কোন প্রকার হয়রানি করা হবে না, তাই বৈধভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে কাজ করুন।
পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভিন্ন আইনের ব্যাখ্যা উল্লেখপূর্বক বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি রহিম বাদশা।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) মোঃ খায়রুল কবির, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেড নাজমুন নাহার, বিবিএম ব্রিক ফ্রিল্ড সত্তাধিকারী মিজানুর রহমান খান, ব্রিক ফিল্ড মালিক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিাভন্ন ব্রিক ফিল্ডের মালিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মালিকদের পক্ষ থেকে বক্তরা বলেন, ২০১০ সাল থেকে ঝিকঝাক ভাটা করার জন্য বলা হয়। সব ঝিকঝাজ ভাটা একই। আমরাও চাই পরিবেশ ভাল থাকুক, চাঁদপুরে এখন শতভাগ ইটভাটা ঝিকঝাক সিস্টেমে চলে। আমরা অসহায় মনে হয় যেন আমরা মাদক ব্যবসা করি। আমরা ৮০ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান সৃর্ষ্টি করেছি।
![]()