ফারুক হোসেন:
চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার নয়টি পরীক্ষাকেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিয়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বাগানবাড়ি আইডিয়াল একাডেমী , নিশ্চিন্তপুর স্কুল এন্ড কলেজ, নাউরী আহমদি উচ্চ বিদ্যালয়, সুজাতপুর নেছারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় ও ফরাজী কান্দি নেদায় ইসলাম কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলছে। মঙ্গলবার ইংরেজি ২য় পত্র পরীক্ষা ছিল।
ওইসব পরীক্ষাকেন্দ্রেগুলোতে তিন হাজার ৪৪০ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। সকাল থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে গুলোতে বিদ্যুৎ ছিল না। মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে হয় শিক্ষার্থীদের। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে তারা।
এ বিষয়ে দশানি মোহনপুর কেন্দ্রের একাধিক কক্ষ পর্যবেক্ষকরা জানান,
বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় মোমবাতি বিষয় কেন্দ্র সচিবকে বার বার বলা হলে মোমবাতি দিয়ে অনেক বিলম্ব করেছে। পরে মোমবাতি এনে পরীক্ষা নেওয়া হয়।
অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা (যেমন জেনারেটর বা আইপিএস) না থাকাটা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি। ঝোড়ো হাওয়ার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছাতেও বাধার সম্মুখীন হয়েছে। বৃষ্টির কারণে যাতায়াতব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় তাদের দুর্ভোগ আরও কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।
এদিকে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিস জানিয়েছে, ঝড়ে লাইনের ওপর বড় বড় গাছ ভেঙে পড়েছে। ফলে বিদ্যুতের সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বেশ কিছু জায়গায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। মেরামতের কাজ শেষ করতে সময় লাগছে। তবে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত বিদ্যুতের সংযোগ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি জানান,পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকার কথা বলা হয়েছিল। বিদ্যুৎ অফিসে বারবার জানানোর পরেও সমাধান হয়নি। এর মধ্যে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে দু’টি কেন্দ্রে জেনারেটর, অন্য গুলোতে এসি-ডিসি লাইট ও মোমবাতি দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে কোন কেন্দ্রেই পরীক্ষার্থীদের কোন সমস্যা হয়নি।
![]()