কেএম নজরুল ইসলাম :
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও চিংড়ি প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব এম.এ হান্নান বলেছেন, ফরিদগঞ্জের মানুষ এবার জেগে উঠেছে এবং নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নেমেছে।
আমাকে যারা মেরেছে তাদের বিচার আপনাদের কাছে দিলাম। আপনারা ১২ ফেব্রুয়ারি চিংড়ি প্রতীকে ভোট দিয়ে তার প্রতিশোধ নিবেন। আমার প্রতি আপনাদের ভালোবাসা দেখে আশান্বিত হয়ে এই হামলা চালাচ্ছে। তারা হয়তো জানে না; হামলা করে এই ভালোবাসা কমানো যাবে না, বরং বেড়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার বাসস্ট্যান্ডে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এম.এ হান্নান বলেন, ভোট জনগণের পবিত্র আমানত; কেউ যেন তা খেয়ানত করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, হাতে থাকা কয়েকটি দিন ঘরে ঘরে গিয়ে চিংড়ি প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে হবে। যত ঝড়ঝাপটাই আসুক, আমরা কোনোভাবেই পিছু হটব না।
তিনি প্রশাসনের প্রতি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা কোনো সহিংসতা বা হানাহানি চাই না। একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীদের হুমকি-ধমকির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, কোনো চাপেই পিছিয়ে যাব না এবং জয় নিয়েই ঘরে ফিরব ইনশাআল্লাহ।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেন। বক্তব্য দেন চাঁদপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সফিউল আলম মুকুল পাটওয়ারী, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আমানত গাজী, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মফু, নজরুল ইসলাম পাটওয়ারী, জাকির হোসেন পাটওয়ারী, পৌর বিএনপি নেতা জামাল হোসেন, শাহাবুদ্দিন বাবুল, এবং সাবেক প্যানেল মেয়র জাকির গাজী, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন শিপন, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ইমাম হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
জনসমাবেশ শেষে ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে চিংড়ি প্রতীকের সমর্থনে বিশাল গণমিছিল বের হয়ে ফরিদগঞ্জ বাজার প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
![]()