নিরঙ্কুশ জয়ের পথে ড. জালাল উদ্দিন

 

বিশেষ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন চাঁদপুর-২ সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. জালাল উদ্দিন।

নির্বাচন ঘিরে ১১ দলীয় জোটের শক্তিশালী কোন প্রার্থী আসনটির নির্বাচনের মাঠে না থাকায় অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। এরই মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ড. জালাল উদ্দিনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী গোলাপ হোসেন।

এই মুহূর্তে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে মাঠে আছেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো: ফয়জুন্নুর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি মানসুর, জাতীয় পার্টির এমরান হোসেন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির নাসিমা নাজনিন সরকার, নাগরিক ঐক্যের এনামুল হক এবং ১০ দলীয় জোট মনোনীত এলডিপি প্রার্থী বিল্লাল হোসেন।

এদের মধ্যে ড. জালাল উদ্দিন জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকায় ভোটের মাঠে নিরঙ্কুশ বিজয়ের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে বলে মাঠ পর্যবেক্ষণে জানা যায়। অপরদিকে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী বিল্লাল হোসেন হঠাৎ করেই নির্বাচনী মাঠে আবির্ভাব হওয়ায় জন সম্পৃক্ততা কম থাকায় ড. জালাল উদ্দিনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা কম বলেই ধারণা করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

ড. জালাল বিগত সময়ে রাজনৈতিক ভাবে হয়রানির স্বীকার নেতাকর্মীদের আইনী সহযোগিতা ও দলীয় কার্যক্রম পরিচালনায় সক্রিয় থাকায় দল ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে বিভিন্ন গ্রুপিং থাকলেও নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে ধানের শীষের পক্ষে একতাবদ্ধ হয়েছেন জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃস্থানীয়রা।

পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন। কোনো ধরনের সহিংসতা বা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং এ বিষয়ে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে থাকবে।

এদিকে নির্বাচনী পরিবেশে একদিকে উৎসবমুখর আমেজ থাকলেও অন্যদিকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা বিরাজ করছে। প্রচারণাকালীন কয়েকটি সহিংসতা এবং প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ ভোটারদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। বিশেষ করে স্বতন্ত্র পরিচয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও দলীয় প্রার্থীর বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক কেন্দ্রগুলোর পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

তবে দীর্ঘদিন পর স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার প্রত্যাশায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ফরিদগঞ্জের মানুষ বাড়ি ফিরছেন, যা অনেকটা ঈদ উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে। অনেক প্রবাসীও এবার ভোট দিতে দেশে এসেছেন।

তাদের প্রত্যাশা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ যেন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে বিঘ্নিত না হয় এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

Loading

শেয়ার করুন: