মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, আসামী হোসেন গাজী মাদকসেবী। মাদকের টাকার জন্য সব সময় বাবার সাথে জগড়া বিবাদে লিপ্ত হয়ে মারধর করত। মাদক সেবন থেকে বিরত রাখতে তাকে ঢাকায় মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা করা হয়। তাতেও কোন কাজ হয়নি।
ঘটনার দিন ২০১৮ সালের ১৬ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ আসামী হোসেন গাজী তার পিতাকে ঘরে শয়ন অবস্থায় ধারালো ‘দা’ দিয়ে মাথায় দুটি কোপ মারে। এতে তিনি মারাত্মক রক্তাক্ত জখম হন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি শয্যা থেকে উঠলে আবারো কোপ দেয়, তখন হাত দিয়ে ঠেকাতে গিয়ে হাতের একটি আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাৎক্ষনিক পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে শহরের ওয়ারল্যাস বাজার এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় ওইদিন চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নিহত মুছাব্বর গাজীর বড় ছেলে মো. আলম গাজী (৪২) হত্যার ঘটনায় আপন ছোট ভাই হোসেন গাজীকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ আসামীকে গ্রেপ্তার করে ১৭ নভেম্বর আদালতে সোপর্দ করে।
মামলাটি তদন্ত করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোমিনুল ইসলাম। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশীট) দাখিল করেন।
![]()