স্টাফ রিপোর্টার:
ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চাঁদপুরে ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জেলা বিএনপি। ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে মহান ৭ নভেম্বরের তাৎপর্যবিষয়ক ৫০০ শব্দের মধ্যে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে বেলা ১২ টা পর্যন্ত চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন বা তার অধিক প্রতিযোগী অংশ নেয়।
এদিন সকাল ৯ঃ০০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত পাঁচটি বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের রচনা প্রতিযোগিতা পর্যবেক্ষণ করেন প্রতিযোগিতা উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক শরীফ উদ্দিন পলাশ, সদস্য সচিব ও জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বাহার, সদস্য ও জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জিসান আহমেদ এবং জেলা যুবদলের সদস্য রাজিব খান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুল হক সর্দার,
লেডী প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোসাম্মাৎ মোর্শেদা ইয়াসমিন,দ্বারকানাথ (ডিএন) উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন,সহকারী শিক্ষক মো. শাহ আলম,ওসমান গনিসহ অন্যান্য শিক্ষক বৃন্দ।
চাঁদপুর পৌর ১৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি হোসেন তালুকদার।
চাঁদপুর জেলা বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস রচনা প্রতিযোগীতা উপ কমিটির আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন পলাশ এবং সদস্য সচিব ফয়সাল আহমেদ বাহার বলেন, ৭ নভেম্বর দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনের চেতনা হচ্ছে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার চেতনা।
১৯৭৫ সালের আগে দেশে রাজনৈতিক সংঘাত ও নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে জনগণের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব সংঘটিত হয়। ৭ নভেম্বরের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয় রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রে উঠে আসেন।
তাই নতুন প্রজন্মের জন্য ঐতিহাসিক সাত নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। বিএনপি’র নির্দেশনায় এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সকল মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। আজকের এই পর্যায়ে আমরা হাসান আলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে এই প্রতিযোগিতা দেখেছি। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় মূল্যায়ন করে শিক্ষকরা আমাদেরকে দেবে। আমরা সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনটি করে খাতা নিয়ে এগুলো আবার একসাথে ১০৫টা স্কুল থেকে যে খাতাগুলি আসবে, এগুলি আমরা আবার মূল্যায়নের মাধ্যমে তাদেরকে পুরস্কৃত করার ব্যবস্থা করব।
এমনকি বিজয়ীরা ৭ই নভেম্বরের অনুষ্ঠান স্টেজে আমাদের জেলা বিএনপি সভাপতি এবং সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক ভাইয়ের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন। এক থেকে দশম পর্যন্ত বিজয়ী শিক্ষার্থীদের আমরা পুরস্কার বিতরণ করব।