আসামী ধরতে কখনো গাড়ী চালক, কখনো হকারের ভূমিকায় পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

কথায় আছে চোরের ৭ দিন গেরস্থের একদিন। গল্পটি যেনো সফল করেছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ থানার এসআই নাজিমউদ্দিন। মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ধরতে প্রাণপণ চেস্টা করে অবশেষে সফলতার হাতছানি দিয়েছে তার সামনে। সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে ধরতে তিনি কখনো সেজেছেন গাড়ীর ড্রাইভার, কখনো বা হেলপার। তবুও সেই আসামীকে ধরতে ব্যর্থ। অবশেষে সেজেছে হকার। রাস্তায় রাস্তায় বড়ই বিক্রয় করতে করতে ধরে পেললেন সেই আসামীকে।

সোমবার (১১ মার্চ) কুমিল্লা জেলার জগন্নাথপুর ভারতীয় বর্ডার এলাকা থেকে আটক করা হয় সেই যাজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী সুলতান মিয়াকে।

সুলতান মিয়া হাজীগঞ্জ উপজেলার ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ রামড়া গাবতলী বাজার এলাকার মিজি বাড়ীর মৃত আরব আলীর ছেলে।

মাদক ব্যবসায়ী সুলতান মিয়া ২০০৯ মাদক নিয়ে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে আটক হয়। পরবর্তীতে জামিনে আসে। ২০১৩ সালে ৭ জুলাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ সালের ১৯ (১) এর ৩ (খ) ধারায় অভিযুক্ত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত তাকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান এবং ৫ হাজার টাকা জরিমান করেন। প্রায় ১৬ বছর সাজা থেকে বাঁচতে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন সাজাপ্রাপ্ত আসামী সুলতান। ১৬ বছর ধরেই পুলিশ তাকে ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে আসছিলো।

আটক অভিযানে অংশ নেয়া এসআই নাজিম জানান, পলাতক আসামী সুলতান কুমিল্লার জগন্নাথপুর এলাকায় আরো একটি বিয়ে করে সেখানে স্থায়ী বসবাস শুরু করে। কয়েকবার অভিযান চালয়েও তাকে ধরতে ব্যর্থ হয়। পরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেষে কখনো গাড়ীর ড্রাইভার, কখনো হেলপাল, কখনো হকার সেজে সুলতান মিয়াকে সোমবার দুপরে আটক করতে সক্ষম হই।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আবদুর রশিদ জানান, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী সুলতান খুবই চালাক। সে মোবাইল ব্যবহার করেনা। ফলে ম্যানুয়ালি চেস্টা করে তার লোকেশান বের করে তাকে

Loading

শেয়ার করুন: