হাসান মাহমুদ :
হাজীগঞ্জে একটি বসতঘর পুড়ে দিয়েছে র্দুবৃত্তরা।মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর ২০২৫) দিনগত রাতে বাকিলা ইউনিয়নের মহেশপুরে মিজি বাড়ীতে এ ঘটনায় ঘরের মালিক মিজানুর রহমান তার ঘটনা ঘটে। ঐ গ্রামের মৃত নুরুল ইসলাম মিজির ছেলে মিজানুর রহমানের ঘরে। ঘরটিতে লোকজন না থাকায় কোন প্রানহানীর ঘটনা ঘটেনি। আগুনের ঘটনায় ঘরের মালিক মিজানুর রহমান তার ভাতিজা মুরাদকে দায়ী করেছেন।
মিজানুর রহমান অভিযোগ, তার ভাতিজা মাদক বিক্রেতা মুরাদ এ কাজ করেছে। ঘটনার দিন গভীর রাতে মুরাদ আমাকে ফোন করে উল্টা হুমকি দেয়া শুরু করেছে। থানাতে একটি অভিযোগের সূত্র ধরে মুরাদ এ কাজ করেছে। মুরাদ মৃত মমিন মিজির ছেলে। তবে মুরাদ পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
ক্ষতিগ্রস্থ মিজান জানান, প্রায় রাতে গাছ বেয়ে আমার প্রবাসী এক ভাইযের বাড়ির ছাঁদে উঠে মুরাদ তার সঙ্গী নিয়ে মাদক সেবন করে। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে সেই ভাইয়ের স্ত্রীকে মুরাদ তার সঙ্গী নিয়ে মারধর করে। যে কারনে ঐ ভাবী গত ৭ অক্টোবর দিনে থানাতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই সময় আমি ভাবীকে সহায়তা করার কারনে মুরাদে আমার ঘরে আগুন দেয় ও ফোন করে হুমকি দেয়। এতে করে আমার তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয় আর ঘরে কোন বৈদ্যুতিক সংযোগ নাই। অভিযোগ পত্রে মুরাদের সাথে একই এলাকার ফজলুল হকের ছেলে মারুফ হোসেনকে ও বিবাদী করা হয়।
মিজান আরো জানান, সর্বশেষ গত মঙ্গলবার দিনগত রাতে সাড়ে ১০ টার দিকে আমার বসত ঘরে আগুন দেয়া হয়। পরে দমকল বাহিনী এসে আগুন নেভায়। এর কযেক ঘন্টা পরে গভীর রাতে মুরাদ আমাকে ফোন করে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।
মুরাদের নামে অভিযোগকারী মুরাদের চাচী সেই নারী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) গনমধ্যমের সাথে কথা বলতে রাজী হননি আর এসব লিখে কি লাভ বলে স্থান ত্যাগ করেন।
নাম প্রকাশে মুরাদের পক্ষে মুরাদের এক নিকট আত্বীয় জানান, মুরাদের বাবা না বাবার সম্পত্তির ন্যায্য হিসাব চাইতে গেলে চাচাদের সাথে দ্বন্ধ শুরু হয় তা থেকে মুরাদের নামে মিথ্যা কথা ছড়াচ্ছে চাচরা। ঘটনার সময় মুরাদে হাজীগঞ্জে ছিলো।
বাকিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিলন বলেন, আগুন লাগার খবর শুনে ঐ বাড়িতে দেখে এসেছি। আগুনে মিজানের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক জানান, অভিযোগটি তদন্ত চলছে আর আগুনের বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।
![]()