ফারুক হোসেন ॥
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় পুলিশের ওপর গুলি ও ককটেল ছোড়ার ঘটনায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১ সদস্যরা। ঘটনার পর থেকেই গজারিয়ার গুয়াগাছিয়া, চাঁদপুরের মতলব উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছেন যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। ওই অভিযানে কোন অস্ত্র বা ডাকাতির সরঞ্জামও উদ্ধার করা যায়নি।
এদিকে গজারিয়ার জামালপুরে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের ওপর ডাকাত দলের সদস্যদের গুলি ও ককটেল হামলার ঘটনায় ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে গজারিয়া থানায় মামলাটি করা হয়েছে। ওই মামলার এজারাভূক্ত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত র্যাব-১১ সদস্যরা বিশেষ অভিযান চালিয়ে নৌ- ডাকাত রিপনকে গাজিপুর থেকে এবং হারুন ও মাসুমকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়।
সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার সন্ধ্যা মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের জামালপুর অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলার পুলিশের ধাওয়া খেয়ে ডাকাত দলের সদস্যেরা মতলব উত্তর উপজেলার নদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে চলে যায়।
এ পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দল মতলব উত্তরের বেলতলী, বাইদ্দা পল্লি, সওদাগর পল্লি, কালীরবাজার ঘাট, চিতাখোলাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও তল্লাশি চালায়। তবে অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে ডাকাতেরা আগেভাগেই ওই এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মতলব উত্তর এলাকার একাধিক বাসিন্দা বলেন, আমাদের এলাকায় ডাকাত প্রবেশ করার খবরে এবং সাঁড়াশি অভিযান দেখে সাধারন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, আমাদের তথ্য অনুযায়ী র্যাব-১১ সদস্যরা বৃহস্পতিবার রাতে রিপনকে গাজিপুর থেকে এবং হারুন ও মাসুমকে ঢাকা থেকে পৃথক পৃথক ভাবে আটক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার ওসি রবিউল হক জানান, নৌ-ডাকাত গ্রেফতার জন্য নদী তীরবর্তী এলাকাসহ বিভিন্ন স্হানে শতর্ক অবস্থায় রয়েছে পুলিশ।
![]()