কচুয়া প্রতিনিধি ॥
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার খলাগাঁও গ্রামের যুবতী সাদিয়া আক্তার (২৪)-এর রহস্যজনক মৃত্যুর ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হয়নি। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলছেন, লাশ হস্তান্তরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার নেপথ্যের রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে। নিহত সাদিয়া আক্তার উপজেলার খলাগাঁও গ্রামের চাউল ব্যবসায়ী মো. শহীদ উল্লা’হর মেয়ে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গত ১৪ জুন গভীর রাতে অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি সাদিয়া আক্তারের মরদেহ খলাগাঁও গ্রামের বাড়ির পাশের মো. খোরশেদ আলমের দোকানের সামনে রেখে চলে যায়। ঘটনার আগে একটি রহস্যজনক ফোনকলও এসেছিল বলে জানা গেছে। কে বা কারা সেই ফোন দিয়েছিল এবং কারাই বা মরদেহ সেখানে রেখে যায়-এ প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা।
নিহতের ভাই ইমান আলী বলেন, “যারা আমার বোনের মরদেহ রাতের আঁধারে আমাদের বাড়ির পাশে রেখে গেছে, তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনদের দ্রুত শনাক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই রহস্যজনক মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন সম্ভব হবে। স্থানীয় ভাবে গুনজন রয়েছে সাদিয়ার লাশ হাসপাতানে ও রাতে হস্তান্তরকারী যুবকরা বর্তমানে এলাকা ছেড়ে গা ডাকা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কচুয়া থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাদিয়া আক্তারের ময়নাতদন্তের (পোস্টমর্টেম) রিপোর্ট পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনার ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো রহস্যের জট না খোলায় সাদিয়ার পরিবার বিচার এবং ঘটনার দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
![]()