নিজস্ব প্রতিবেদক:
কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনের এরিয়া ম্যানেজার সাব লে. লুৎফর বলেছেন, কোস্টগার্ড সব সময় নদী এলাকা নিরাপদ রাখার জন্য কাজ করছেন। চাঁদপুরে দায়িত্বরত সকলেই নিয়মিত নদীতে টহলরত থাকেন। কিন্তু নদীতে সন্ধ্যার পরে যেসব বলগেট চলাচল করে এদেরকে আটক করলেও অনেক সময় ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা না থাকায় ব্যবস্থা নিতে পারেন না। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে রাতে চলাচলকারী বহু বাল্কহেড আটক করা হয়। তবে চাঁদপুরের সকল বাহিনীর পক্ষ থেকে সহযোগিতা থাকলে রাতের বেলায় বাল্কহেড চলাচল বন্ধ করা সম্ভব। অন্যান্য সংস্থার পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা বেশী প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভীকে চাঁদপুর মেঘনা নদী এলাকায় ডুবুরী/উদ্ধারকারীদের বার্ষিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ডাকাতিয়া নদীতে চলাচলকারী বাল্কহেডগুলো আমরা অভিযান চালিয়ে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তবে নিয়মিত মামলা করলে এসব ঘটনা সমাধান হতে দীর্ঘ সময় লাগে। তাৎক্ষনিক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে তারা ভয় পাবে এবং এই বিষয়ে আইনেরও সংশোধন আনা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন বক্তা রাতে চাঁদপুর পদ্মা-মেঘনায় চলাচল এর কারণে অধিকাংশ দূর্ঘটনা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। কারন বাল্কহেডগুলোতে রাতে কোন ধরণের আলোর ব্যবস্থা থাকে না। এগুলোর উপরে কোন লাইট থাকে না। যার কারনে অন্য নৌযানগুলো ক্ষতির সম্মুখিন হয়।
![]()