হাসান মাহমুদ :
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে হাজীগঞ্জ প্রেসকাব থেকে সাংবাদিক মহিউদ্দিন আল আজাদকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। খবর পেয়ে সাংবাদিক ও থানা প্রশাসন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। সে হাজীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে চাঁদপুুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় মাতৃছায়া আবাসিক হোটেলের মালিক মো. ফারুক হোসেন লিটন ও তার ছেলে তাওহীদ কে তাৎক্ষণিক আটক করে থানা পুলিশ।
হামলার ও মারধরের শিকার মহিউদ্দিন আল আজাদ বাংলাদেশের খবর পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক ত্রিনদী পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং হাজীগঞ্জ প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি।
ঘটনার সূত্রপাতে জানা যায়, হাজীগঞ্জ থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ত্রিনদী পত্রিকার অনলাইন পেইজে স্থানীয় মাতৃছায়া আবাসিক হোটেলের অনৈতিক কার্যকলাপ এর সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এতে হোটেল মালিক মো. ফারুক হোসেন লিটন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মোবাইল ফোনে হুমকি প্রদর্শন করেন।
মঙ্গলবার (১৬ মে) দুপুরে হাজীগঞ্জ প্রেসকাব কার্যালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন অবস্থায় আবাসিক হোটেলের মালিক একদল সন্ত্রাসী সহকারে প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিক মহিউদ্দিন আল আজাদকে ফিল্মি স্টাইলে মারতে মারতে তার আবাসিক হোটেলে নিয়ে আটক করে।
খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা থানা প্রশাসন সহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। সাথে সাথে হোটেল মালিক ও তার ছেলেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় সাংবাদিক মহিউদ্দিন আল আজাদ বাদী হয়ে তিনজন নামীয়সহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনকে আসামী করে হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দাখিল করেছেন।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল মান্নান বলেন অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে। অপর নামীয় আসামীসহ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের চিনহিত করে আটক করা হবে।
এছাড়া মারধর ও প্রেসকাবে হামলায় হাজীগঞ্জের সাংবাদিকের প্রতিবাদে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আবাসিক হোটেলটি সিলগালা করে দিয়েছেন।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হাজীগঞ্জ প্রেসকাব, হাজীগঞ্জ রিপোটার্স ইউনিটি ও হাজীগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির নের্তৃবৃন্দসহ হাজীগঞ্জে কর্মরত সকল সাংবাদিকবৃন্দ এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
![]()