সাড়ে তিন বছরেও শেষ হয়নি কচুয়ায় সড়ক পাকাকরণের কাজ

 

কচুয়া প্রতিনিধি :

চাঁদপুরের কচুয়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাতাপুকুরিয়া-উত্তর শিবপুর-নারায়নপুর জিসি সড়কের সংস্কার কাজে ব্যপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

নিম্মমানের ইট, খোয়াসহ নানান অনিয়মের মধ্য দিয়ে রাস্তা সংস্কারে স্থায়িত্ব নিয়ে আশংকা করছে এলাকাবাসী। এ নিয়ে এলাকায় চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

কচুয়া-সাচার-গৌরীপুর-ঢাকা আঞ্চলিক সড়কের সংযোগ সড়ক কচুয়ার বাতাপুকুরিয়া-উত্তর,শিবপুর-নারায়নপুর জিসি সড়কটি জনগুরুত্বপূর্ণ। খানাখন্দে দীর্ঘ ভোগান্তির পর ৬.৭০৫ মিটার সড়কের সংস্কার কাজের জন্য কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় এলজিইডি।

মেসার্স এস আর কনস্ট্রাকশন এবং সামস ইঞ্জিনিয়ারিং (জেভি) ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটির দায়িত্ব পায়। শিডিউল অনুযায়ী ২০২৩ সালে কাজ শুরু করে ২০২৪ সালের মধ্যে শেষ করতে বলা হয় ঠিকাদারকে। কিন্তু বিলম্ভে কাজ শুরু করে ধীরগতিতে কাজ করছেন তিনি। ফলে এলাকাবাসী, চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে রয়েছে।

এদিকে সিডিউল মোতাবেক সড়কের গাইড ওয়াল নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সড়কে নিম্নমানের ইট ও খোয়া দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। যার ফলে সড়কের মাটি ধসে পড়ছে। পুরনো রাস্তার পিচ সঠিক ভাবে না উঠিয়ে এবং বালি না দিয়ে নিন্ম মানের ইটের ডাস্ট বা গুড়া দিয়ে কাজ করছে।

এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, রাস্তাটি আমাদের জনগুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ ৪-৫ বছর ধরে রাস্তাটি খানাখন্দে ভরপুর ছিল। এ রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে চরম ভোগান্তি ভোগ করতে হচ্ছে। সাড়ে ৩ বছর যাবৎ ধীরগতিতে সড়কটির কাজ করছে ঠিকাদার। ফলে ২০ গ্রামবাসির চরম ভোগান্তি হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারের মুঠোফোনে ফোন দেয়ার পর রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া যায়নি।

কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলীম লিটন বলেন, সড়কের সংস্কার কাজে ধীরগতির কারণে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। দ্রুত গতিতে কাজ করতে ঠিকাদারকে বারবার বলা হচ্ছে। রাস্তায় ইটের গুড়ার বিষয়টি ল্যাবের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।

Loading

শেয়ার করুন: