নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এএসএম দেলওয়ার হোসেন বলেছেন, মার্চ মাস আমাদের জাতীয় জীবনে অনেক গুরুত্ব বহন করে। ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবু রহমানের জন্মদিন এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। ২৬ মার্চের আগের রাতটি হচ্ছে কালো রাত অর্থাৎ দেশের মেধাবিদের এইদিন হত্যা করা হয়েছিলো। এতো কিছুর মধ্য দিয়ে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পাওয়ার কারণে শিক্ষা-দিক্ষায় সব দিক দিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
রোববার (১ মার্চ) বিকেলে কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে অবসর জনিত কারণে তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর কালে উপস্থিত সকল শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ২০১২ সালে এই কলেজে উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। সেই হিসেবে এই কলেজে আমার কর্মকাল ৭ বছর ৭ মাস ৭দিন। আমার জীবনের একটি সুবর্ণ সময় এই কলেজে কেটেছে। আমি দোয়া করি আপনারা সকলে এই কলেজের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করতে পারেন। আমার আর কোন প্রাপ্তির কিছুই নেই। সব কিছুই পেয়েছি। আপনারা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। তেমনিভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ উনাকেও এখন থেকে সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি কলেজের অবকাঠামগত অনেক উন্নয়ন কাজ এনে দিয়েছেন। যার ফলে কলেজের অনেক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। যার কারণে শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। শুধুমাত্র অবকাঠামগত উন্নয়ন হলে চলবে না। পাশাপাশি শিক্ষার মানও বৃদ্ধি করতে হবে। একজন শিক্ষকের যে গুনাবলী তা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
প্রফেসর দেলওয়ার হোসেন বলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ আমার ছোট ভাই। কারণ আমরা দু’জনেই জাহাঙ্গীর নগর ইউনিভার্সিটিতে পড়েছি। তিনি চাঁদপুর কলেজের ছাত্র এবং চাঁদপুরেরই সন্তান। যে কারণে আজকের দিনটি খুবই স্মরণীয় দিন। আমি এই কলেজে যতদিন দায়িত্ব পালন করেছি সকলেই আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আমার কাজের মধ্যে ত্রুটি থাকতে পারে, আমি কখনো সঠিকভাবে আমার কাজটি করতে পারিনি। তারপরেও আমরা সকলে একই সূত্রে গাথা হিসেবে কাজ করেছি। এখানে যারা শিক্ষকতা করছেন একেকজনের বাড়ী একেক জেলায়। তারপরেও চাঁদপুরবাসী আমাদেরকে খুবই সুন্দরভাবে গ্রহণ করেছেন।
পরে অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এএসএম দেলওয়ার হোসেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশকে ফুল দিয়ে বরণ করেন এবং অধ্যক্ষের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ভূগোল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান, বাংলা বিভাগের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আজিম উদ্দিন, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহমেদ, পদার্থ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ইফতেখার উদ্দিন খান, প্রাণীবীদ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শওকত ইকবাল ফারুকী, রসয়ান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. দেলোয়ার হোসেন, ইসলামিক ও আরবী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হাফেজ মো. রুহুল আমিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. রফিক উল্যাহ, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আজহারুল ইসলাম ভুঁইয়া, ইসামের ইতিহাস ও সাংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিুবর রহমান মিয়া, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. হারুন অর রশিদ, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. বেদারুল আলম, গনিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আনিছুল ইসলাম, উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামরুল ইসলাম, ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আলী আজগর ফকির, ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ মো. খলিলুর রহমান, সমাজ কল্যাণ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আলাউদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক হাসান শাহরিয়ার, বজন কুমার সাহা, আব্দুল কুদ্দুছ, বাংলা বিভাগের প্রভাষক ফাতেমা আক্তার, প্রভাষক কামরুন্নাহার, আরিফ উল্যাহ প্রমুখ।
![]()