চাঁদপুরে যুবলীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা, চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে যুবলীগকর্মীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মোহনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমানকে আটক করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। গতকাল রবিবার (১৮ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি পুলিশের ওসি এনামুল হক।

ডিবি পুলিশের ওসি এনামুল হক জনান, আজ বেলা সাড়ে ১১টায় মোহনপুর কাজী বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিকেল ৩টায় তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, এর আগে শনিবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হন মোবারকসহ তিনজন। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে মোবারক হোসেন বাবুকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। গুরুতর আহত ইমরান ব্যাপারী ও জহির কবিরাজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

মতলব উত্তর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত ) মো: সানোয়ার হোসেন জানান, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজানের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে যুবলীগের কর্মী মোবারক হোসেন বাবু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই আমির হোসেন কালু বাদী হয়ে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমানকে প্রধান আসামী করে মতলব উত্তর থানায় মামলা দায়ের করেন। আজ কাজী মিজানসহ দুইজন এবং এর আগে শনিবার ৫ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের একই আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করেন। নিহত বাবু আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার অনুযারী ছিলেন।

আটককৃতরা হলেন, মোহনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী মিজানুর রহমান, বাহাদুরপুর গ্রামে বাসিন্দা সাবিয়া বেগম, মুছা গাজী, আনোয়ার হোসেন শেখ, জুয়েল কবিরাজ, মোশারফ হোসেন মিজি, সাহিনা বেগম।

Loading

শেয়ার করুন: