হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হলেন মতলব উত্তরের জাহিদ

মতলব উত্তর ব্যুরো :

হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হলেন মতলব উত্তর উপজেলার কেএম জাহিদ সারওয়ার কাজল। রাষ্ট্রপতি যে ৯ জনকে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দেন তাঁদের মধ্যে ডেপুটি এটর্নি জেনারেল কেএম জাহিদ সারওয়ার কাজল অন্যতম। ২১ অক্টোবর সোমবার তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

জাহিদ সারওয়ার কাজল বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবি সমিতির ২০০৮/০৯ইং সহ-সম্পাদক ছিলেন।
বাংলাদেশের ডেপুটি এটর্নি জেলারেল হিসাবে ৮ ফেব্রুয়ারী ২০০৯ নিয়োজিত হয়ে ২০ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত এ পদে থেকে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি বিশ্বের সর্ববৃহত্তম মামলা পিলখান হত্যা কান্ড মামলা নামে পরিচিত মামলার (হাইকোর্টের) ডেপুটি এটর্নি জেনারেল হিসাবে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে মামলাটি পরিচালনা করেন।

দেশের আলোচিত নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন মামলাতেও তিনি ডেপুর্টি এটর্নি জেনারেল হিসেবে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে মামলা পরিচলনা করেন।

এছাড়া তিনি ডেপুটি এটর্নি জেনারেল হিসেবে রাষ্ট্র পক্ষের অনেক গুরুত্ব¡পূর্ন মামলা পরিচালনা করেন।

কেএম জাহিদ সারওয়ার কাজল ১৯৯৩ সালে এলএলবি (অনার্স) ১৯৯৪ সালে আইন বিভাগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেন। তিনি ১৯৯৫ সালের ১২ অক্টোবর আইনজীবি হিসেবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত হন। ৯৭সালের ৩০ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

২০১৮ সালে ২৯ মার্চ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আইজীবি হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

কেএম জাহিদ সারওয়ার কাজল এর গ্রামের বাড়ী চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের উত্তর রামপুর গ্রামে। তাঁর পিতা মরহুম এমজি সারওয়ার হোসেন এবং দাদা মরহুম খান বাহাদুর গোলাম হোসেন লালু মাষ্টার।

পিতা এমজি সারওয়ার হোসেন বাবু মিয়া সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি ছিলেন কিন্তু প্রাকটিস করতেন জর্জকোর্টে। জর্জকোর্টের ফৌজদারি বিষয়ে প্রথিতযশা আইনজীবি ছিলেন।আইনজীবি হিসাবে তিনি তাঁর পেশা জীবন শুরু করেন ১৯৭৮ সালে।দীর্ঘ ৩৭ বছর সুনামের সাথে মানুষকে আইনী সেবা দেয়া অবস্থায় ২০১৫ সালের ৮এপ্রিল তিনি পরলোক গমন করেন।

Loading

শেয়ার করুন: